সিটিসেলের পুনরাগমন: বাংলাদেশের টেলিকম খাতে নতুন অধ্যায়?

সিটিসেলের পুনরাগমন: বাংলাদেশের টেলিকম খাতে নতুন অধ্যায়? Citycell

 

প্রবন্ধের ভূমিকা:

সিটিসেল নামটি শুনলেই অনেকের মনে জাগে নস্টালজিয়া। বাংলাদেশের প্রথম সিডিএমএ প্রযুক্তির মোবাইল ফোন অপারেটরটি দীর্ঘদিন পর আবারও ফিরে আসতে যাচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু এই পুনরাগমন কতটা সফল হবে, তা সময়ই বলে দেবে।

সিটিসেলের ইতিহাস:

১৯৮৯ সালে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে সিটিসেল। দক্ষিণ এশিয়ার প্রাচীনতম মোবাইল ফোন অপারেটর হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিল এই প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু বিভিন্ন কারণে, যেমন বকেয়া বিল, গ্রাহক কমে যাওয়া, আদালতের আদেশ, তরঙ্গ স্থগিত করা ইত্যাদি, ২০১৬ সালে সিটিসেল কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়।

পুনরাগমনের পদক্ষেপ:

দীর্ঘ ৮ বছর পর সিটিসেল আবারও কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্যে তাদের লাইসেন্স ফেরত চেয়ে টেলিকম খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির কাছে আবেদন করেছে। বিটিআরসি ইতিমধ্যেই তাদের লাইসেন্স ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক সিগন্যাল দিয়েছে বলে জানা গেছে।

টেলিকম খাতে সিটিসেলের প্রভাব:

সিটিসেলের পুনরাগমন বাংলাদেশের টেলিকম খাতে নতুন এক প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করতে পারে। গ্রাহকরা আরও ভালো সেবা ও অফার পাওয়ার আশা করতে পারেন। তবে, সিটিসেলের সামনেও বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকতে তাদেরকে উদ্ভাবনী সেবা ও অফার নিয়ে আসতে হবে।

সিটিসেলের ভবিষ্যৎ:

সিটিসেলের ভবিষ্যৎ কেমন হবে, তা সময়ই বলে দেবে। তবে, এটি একটি আশাব্যঞ্জক পদক্ষেপ, যা বাংলাদেশের টেলিকম খাতে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে।

আপনার মতামত:

সিটিসেলের পুনরাগমন সম্পর্কে আপনার কি মতামত? আপনি কি মনে করেন, সিটিসেল আবারও সাফল্য অর্জন করতে পারবে? আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্ট করে জানান।

Comments